“আমি নির্বাচিত হলে সকলকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখব”— তালা কলারোয়ার বিএনপি মনোনিত এমপি প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
দৈনিক আলোর সন্ধান ডেস্ক :
প্রকাশের সময় :
শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
১৩২
বার পঠিত
হাসানুর রহমান হাসান, নিজস্ব প্রতিনিধি:
পাটকেলঘাটায় ঐতিহাসিক বলফিল্ড ময়দানে ধানের শীষ প্রতীকের এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টায় অনুষ্ঠিত এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়।
সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল হক রাজুর সঞ্চালনায় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের তালা–কলারোয়া আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও তালা–কলারোয়ার নির্বাচনী টিম লিডার আবুল হাসান হাদি, জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী বিউটি আক্তার, তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃনাল কান্তি, কলারোয়া আমানুল্লাহ কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ রইচ উদ্দিন, কলারোয়ার সাবেক চেয়ারম্যান রকিব মোল্যা, তালা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক মোশাররফ হোসেন, সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান গোলাম শেখ মোস্তফা, নগরঘাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মহব্বত আলী, জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মফিজুল হক লিটু, সাবেক যুবদল নেতা হাফিজুল রহমান হাফিজ, খালিদ হোসেন, সেচ্চাসেবক দল নেতা আবু মুহিত, পাটকেলঘাটা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোবিন্দ সাধু ও কেশব সাধু, হিন্দু–বৌদ্ধ–খ্রিষ্টান পরিষদের নেতা নারায়ণ মজুমদার, যুবদল নেতা সেলিম বিশ্বাস সহ আরও অনেকে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, “এই ঐতিহাসিক পাটকেলঘাটা বলফিল্ড ময়দানে আমি এমপি থাকাকালীন আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তিনবার নিয়ে এসেছি। তাঁর হাত ধরেই পাটকেলঘাটা থানা হয়েছে। তাঁর সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান পাটকেলঘাটাকে উপজেলা ও তালাকে পৌরসভা করবেন—ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, “আমি এমপি থাকাকালে এলাকায় রাস্তা-ঘাট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মন্দির, বিদ্যুৎ সংযোগ, কপোতাক্ষ নদ খননসহ যে উন্নয়ন করেছি, তা বিগত সব এমপি মিলেও করতে পারেননি। ৩৭টি স্কুল-কলেজ এমপিও করেছি, ৬০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছি এবং প্রায় ৩ হাজার মানুষকে চাকরি দিয়েছি—কাউকে এক টাকাও দিতে হয়নি।”
নিজের কারাবরণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, “প্রতিহিংসামূলকভাবে আমাকে ৭০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কারাগারে নির্যাতনের কথা বলতে গিয়ে আমি আজও কেঁপে উঠি।” এসময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। আমার কোনো কর্মী অন্যায় করলে আমি আপনাদের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাই।”
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির কথা তুলে ধরে হাবিব বলেন,
“আমি একজন অসাম্প্রদায়িক মানুষ। আমি নির্বাচিত হলে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান, জামায়াত—সকলকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখব। জীবন দিয়ে হলেও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাইদের রক্ষা করব।
শেষে তিনি বলেন, “আর মাত্র চার দিন বাকি। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দিকে তাকিয়ে ভোটের দিন সারাদিন ধানের শীষে ভোট দিন।”