সাতক্ষীরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বহিষ্কৃত সমন্বয়ক রিফাত বিভিন্ন সরাসরি অফিসে প্রভাব বিস্তার করে অনেক জায়গায় চাঁদাবাজি করছে বলে বিস্তার অভিযোগ পাওয়া যায়। রিফাতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপকর্ম ও সংগঠনের নামে মিথ্যা প্রচারণা বিতর্কিত কাজের জন্য ৫ই জানুয়ারী ২০২৫ইং তারিখে সাতক্ষীরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহবায়ক আরাফাত হোসাইন ও সদস্য সচিব সুহাইল মাহদীন একটি নোটিশে তার সদস্য পদ স্থগিত করেছিল। যাহা এখনো বহাল থাকলে তার অপকর্মের লাগাম টানা যাচ্ছে না। প্রতিনিয়ত মানুষের হয়রানির করে চাঁদাবাজির জন্য সাতক্ষীরা সদর থানা ও আশাশুনি থানায় ঘুরঘুর করে।
এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ছাত্র প্রতিনিধি বলেন, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী ও ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে আপনার নামে মামলা হবে এমন ভয় ভীতি দেখিয়ে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে অনেক জায়গায় চাঁদাবাজি করা করছে। এগুলোর সঙ্গে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরা খবর পাচ্ছি আমাদের নাম ব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
গত ১৬ বছর এই ফ্যাসিস্ট সরকার যাদের পছন্দ হয়নি তাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। কারও পরিবার নিয়ে সমস্যা হয়েছে, মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, কারও জমিজমা নিয়ে সমস্যা হয়েছে, মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। আর যেন কোনো রাজনৈতিক দল মিথ্যা মামলা দিয়ে কাউকে হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়টি আমরা খেয়াল করছি।
সাতক্ষীরা জাতীয় নাগরিক কমিটির জেলা প্রতিনিধি ইলিয়াস হোসেন বলেন, এই আগেও দল থেকে বহিষ্কৃত রিফাতের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার দৈনিক সাতনদী সহ বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ প্রচার হয়। তার চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে নানা হয়রানি মূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আমার অনুরোধ বহিষ্কৃত কথিত সমন্বয়ক রিফাত হোসেনকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হোক।