1. admin@dailyalorsandhan.com : admin :
  2. mdusmangani2002@gmail.com : Md Usman Gani : Md Usman Gani
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কলারোয়া থানার দায়িত্বে অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রিমু: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার। অসুস্থ শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাটকেলঘাটায়: আওয়ামীলীগ পন্থী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শামীমা আরার বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তির দাবি সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কালিগঞ্জে রঘুরামপুরের তরুণদের মাঝে ফুটবল বিতরণ সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলা: আন্দোলনের মুখে সদর থানার ওসি মাসুদুর প্রত্যাহার বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ আজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে এলাকার ক্ষুদে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ বরিশাল বাকেরগঞ্জ থানার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদারকে নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা সাতক্ষীরায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম তালা উপজেলায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগ: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা’র উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসা সাতক্ষীরায় ক্রসফায়ার ও গুম খুনের মাস্টারমাইন্ড আলোচিত ৫ হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্ট নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করেছেন আদালত

সাতক্ষীরায় ধর্মান্ধতা চলে এসেছে” ডিসি-র ঢালাও মন্তব্যে ক্রীড়াঙ্গন ও সুশীল সমাজে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি

দৈনিক আলোর সন্ধান ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৮২ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাউসার আজিজের দেওয়া একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সভায় তিনি “সাতক্ষীরায় ধর্মান্ধতা চলে এসেছে” বলে যে ঢালাও মন্তব্য করেছেন, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলার ক্রীড়া সংগঠক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সাধারণ নাগরিকরা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, একটি ঐতিহ্যবাহী জেলার সমগ্র জনগোষ্ঠীকে ইঙ্গিত করে একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার মুখ থেকে এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত, উস্কানিমূলক এবং অপমানজনক।
জেলা প্রশাসকের এই বক্তব্যকে সুশীল সমাজ ও স্থানীয় নেতৃত্ব কেন দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং “দোষারোপের রাজনীতি” হিসেবে দেখছেন।
সাতক্ষীরার গৌরবময় ঐতিহ্যকে খাটো করা:** সাতক্ষীরা জেলা বরাবরই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মুক্তবুদ্ধি চর্চা এবং ক্রীড়াঙ্গনে দেশের অন্যতম সেরা জেলা হিসেবে পরিচিত। জাতীয় দলের নামী-দামী ক্রিকেটার ও ফুটবলার তৈরিতে এই জেলার অবদান অনস্বীকার্য। এমন একটি জনপদকে ঢালাওভাবে “ধর্মান্ধ” হিসেবে আখ্যায়িত করা জেলার ইতিহাস ও গৌরবকে চরমভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার শামিল।
* **প্রশাসনিক ব্যর্থতা আড়াল করার চেষ্টা:** স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকদের অভিযোগ, বিগত দিনে মাঠের অভাব, বাজেট সংকট এবং ক্রীড়া সংস্থায় সঠিক নেতৃত্বের অভাবে খেলাধুলা স্থবির হয়ে পড়েছিল। প্রশাসন নিজেদের সেই ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনার দায় স্বীকার না করে, উল্টো পুরো জেলাবাসীর ওপর ‘ধর্মান্ধতার’ তকমা দিয়ে দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে।
একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো: কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা গবেষণা ছাড়াই একটি আনুষ্ঠানিক সভায় জেলাকে এভাবে চিহ্নিত করা সামাজিক বিভেদ তৈরি করতে পারে। সমালোচকদের মতে, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো প্রশাসনেরই দায়িত্ব; কিন্তু তা না করে নাগরিকদের এভাবে দোষারোপ করা অত্যন্ত নেতিবাচক মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্টের আশঙ্কা: যখন জেলার সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি একসাথে বসে ক্রীড়াঙ্গন পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে, তখন ডিসি-র এমন সংবেদনশীল ও বিতর্কিত মন্তব্য পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি এবং সামাজিক অস্থিরতা উস্কে দিতে পারে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
মতবিনিময় সভা শেষে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ক্রীড়া কর্মকর্তা ও স্থানীয় ব্যক্তিত্ব ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
আমরা প্রশাসনের কাছ থেকে খেলাধুলার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও মাঠ সংস্কারের আশ্বাস আশা করেছিলাম। কিন্তু অভিভাবক সুলভ আচরণ না করে পুরো জেলার মানুষকে এভাবে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো অত্যন্ত দুঃখজনক। এই বক্তব্য দ্রুত প্রত্যাহার করা উচিত।”
সোশ্যাল মিডিয়াতেও সাতক্ষীরার সাধারণ মানুষ এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলছেন, খেলাধুলার স্থবিরতার জন্য মাঠের অপব্যবহার এবং প্রশাসনিক উদাসীনতা দায়ী, সাধারণ মানুষের ধর্মীয় বা সামাজিক মূল্যবোধ নয়।
ইতেপূর্বে জেলা প্রশাসক মিছ কাউসার আজিজ এর বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের অপমান করা সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের উচিত ছিল সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে সমাধানের পথ খোঁজা, ঢালাওভাবে জেলাবাসীর ওপর দোষারোপ বা নেতিবাচক তকমা দেওয়া নয়। ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন চাইলে এই ধরণের বিতর্কিত মন্তব্য পরিহার করে সবাইকে সাথে নিয়ে ইতিবাচকভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সাতক্ষীরার সাধারণ জনগণ।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিছ কাউসার আজিজ কে একধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা