
পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা গ্রামের আরিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে জমির ভূয়া কাগজপত্র তৈরী করে লীজ এগ্রিমেন্টে জাল সাক্ষর ও জোর পূর্বক জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৭ই)ফেব্রুয়ারী দুপুর ২টায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব তালা উপজেলা শাখার পাটকেলঘাটা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।উপজেলার কুমিরা গ্রামের মৃত মনোজ চক্রবর্তীর মেয়ে কুমিরা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা।মনিষা ভট্টাচার্য,সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সমাজের কিছু সার্থন্বেশী ও কুচক্রী মহল ও প্রশাসনের কিছু অসাধূ ব্যক্তির হাত থেকে রক্ষা ও জমি ফেরত পেতে সরকার তথা রাষ্ট্রের কাছে সুবিচার পাওয়ার দাবী জানান। প্রতারক কুমিরা গ্রামের এছেম সরদার, এর পুত্র আরিজুল ইসলাম, একটি ভূয়া জাল জালিয়াতি কাগজপত্রে লীজ চুক্তিপত্র তৈরী করে তিনি উল্লেখ করেন। আমি মনিষা ভট্টাচার্য নাকি আরিজুলের নিকট হতে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিয়ে তার কাছে ১১ বছরের জন্য ২৫ শতক জমি লীজ দিয়েছি। এই চুক্তি পত্রটি সম্পূর্ণ ভূয়া,জ্বাল ও বানোয়াট। ভুমিদস্যু আরিজুল, এ্যডভোকেট এটিএম আলী আকবার কর্তৃক একটি এ্যাভিডেভিট দেখায়। যার সিরিয়াল নং-৪৬১, বিগত (২০২৩) সালের ৬ আগষ্ট সিরিয়াল নাম্বারে লীজ দাতার নাম লোকমান হোসেন, এবং গ্রহীতা নুরুজ্জামান ঢালী। উভয় ব্যাক্তী সাতক্ষীরা সদর থানার বাসিন্দা। এ বিষয় এডঃ এটি এম আলী আকবর বলেন, আরিজুল ইসলাম যে চুক্তি পত্রটি দেখিয়েছেন সেটাতে অবশ্যই তিনি আমার সিল ও স্বাক্ষর জালিয়াতি করে উক্ত চুক্তিপত্রটি তৈরী করেছেন।জাল জালিয়াতি করা চুক্তিপত্রটির বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়ে আমি একটা প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করেছি। মনিষা ভট্টাচার্য সংবাদ সম্মেলনে আরো জানান, তপশীল বর্ণিত কুমিরা মৌজার এস.এ খতিয়ান নং-৮১৯, ডিপি খতিয়ান নং-১৪৫, দাগ নং-৭৪, ৭৩, ৬৬, ৬৭, মোট জমির পরিমান ৬০ শতক। এর মধ্য হতে ২০ শতক জমির মালিক আমি। এর ভিতরে ১০ শতক জমি আমি হৃদয় হাজরার নিকট বিক্রয় করেছি। এবং( ২ শতক) জমি দুখু আলী সরদারের নিকট বিক্রয় করেছি। বাকী (৮ শতক) জমি যা আমার নামে রয়েছে।
প্রতারক আরিজুল ইসলাম আমার নামে জমি লীজের যে চুক্তিপত্র তৈরী করেছে। তাতে সে আমার স্বাক্ষর জাল করেছে এবং চুক্তিপত্রে যে শর্তাবলী উল্লেখ করেছে। সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আরিজুল জোর করে আমার জমি থেকে বাশ এবং কলাগাছ কাটার সময় আমি বাধা দিলে। উল্টো আমাকে হয়রানি করার জন্য জীবন নাশের হুমকি দেয়। ও অকর্থ ভাষায় গালিগালাজ করে। বলতে থাকে বিভিন্ন ডকুমেন্ট তৈরী করে তোকে ভিটেছাড়া করবো। ন্যায় বিচার পাওয়ার আশায় আমার স্বামী হৃদয় কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদ গ্রাম আদালতে লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করে। কিন্তু চেয়ারম্যান শেখ আজিজুল ইসলাম তিনি ধার্য্য দিনে বসেন না। এমতাবস্থায় আমি মনিষা ভট্টাচার্য চেয়ারম্যানের নিকট গেলে। তিনি আমাকে অশ্লিল ভাষায় গালিগালাজ করে। এবং আমাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয়পতিপন্ন করে বলেন। তোমার এখানে থাকার দরকার নেই। তুমি তোমার শশুর বাড়ী চলে যাও। এমতাবস্থায় আমি আমি ও আমার স্বামী নিরা পত্তাহীনতায় ভুগছি, আপনাদের মাধ্যোমে মানোনীয় জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, যাতে করে আমি ন্যায় বিচার পাই সেই সাথে প্রতারক আরিজুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।