
সাতক্ষীরা সদরের বাসিন্দা ফারজানা রহমান অভিযোগ করে বলেন, সাতক্ষীরা কৃষকদলের আহবায়ক সালাউদ্দিন লিটনের তিন তলা বিশিষ্ট একটা বসতবাড়ি ১,৫০,০০,০০০/- টাকা মুল্য নির্ধারণে বায়না সূত্রে আমার কাছে বিক্রয় করেন। আমি তাতক্ষনিক ৮৭,০০,০০০/- টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে বাকি ৬৩,০০,০০০/- টাকা জোগাড় করে সালাউদ্দীন লিটন কে বাড়ি রেজিষ্ট্রী করে দিতে বললে তিনি আজকাল করিয়া টালবাহানা করিতে থাকেন।
এক পর্যায়ে আমাকে উক্ত বাড়ি রেজিস্ট্রি করিয়া না দেওয়ায় আমি বাড়ির দ্বিতীয় বসবাস করা শুরু করি। এরই মধ্য গত ০৫/০৮/২০২৪ ইং তারিখে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরকারের পতন হলে হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। গত ০৬/০৮/২০২৪ বিকাল পাঁচটার সময় আমার রুমের সামনে এসে সালাউদ্দীন লিটন ও তার স্ত্রী উর্মি খাতুন আমার বসতবাড়ির রুমের সামনে গিয়ে হুমকি দিয়ে বলে যে, বসতবাড়ি ১০ মিনিট এর মধ্যে ছেড়ে দিতে বলে অথবা আমাকেপুড়িয়ে হত্যা করবে বলে হুমকি প্রদান করে। তার হুমকিতে আমি বাড়ি ছেড়ে না দেওয়ায় গত ০৬/০৮/২০২৪ তারিখ দুপুর ২ ঘটিকার সময় সালাউদ্দিন লিটন সহ অজ্ঞাতনামা ৩৫/৪০ জন ব্যক্তিদের নিয়ে নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়।আমাকে নগদ, বিভিন্ন ব্যাংকের চেক, ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাত করে আমার ঘরে তালা মেরে চাবি নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, আমার স্বামী পূর্ব থেকে বিএনপি‘র রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার স্বামী সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেকসম্পাদক এবং ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ছিলেন। উক্ত ঘটনায় আমি সেনা ক্যাম্প ও সদর থানায় অভিযোগ দায়েরকরি। দায়িত্ব পালনকারী সেনা কর্মকর্তা এসে আমার রুমের তালা খুলে আমাকে ও আমার পরিবারকে ঘরের মধ্যে রেখেযান।
উক্ত সালাউদ্দীন লিটন বিভিন্ন জায়গায় প্রচার চালাচ্ছে যে, সমস্যাটি সমাধান হয়ে গেছে কিন্তু কোন সমাধান না করেআমাকে এবং আমার পরিবারকে মারধর করিয়া বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছে এবং আমাকে জীবননাশের হুমকি প্রদান করছে। আমি কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাবেদ তুহিন সহ বিএনপি‘র কেন্দ্রীয়কমিটির কাছে দাবি যাতে উক্ত বিষয়ে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তাহার প্রতি অনুরোধ জানায়। এমন সন্ত্রাসীকার্যকলাপের জন্য সালাউদ্দিন লিটনকে কঠিন বিচারের মুখোমুখি ও বহিষ্কার দাবি জানাই। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা কৃষক দলের সভাপতি সালাউদ্দীন লিটন জানান, লুটপাট বা ভাংচুর এই ধরনের কোন কিছু ঘটেনি।