
রবিউল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
#সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার বানিজ্যিক কেন্দ্রে বাপ্পি সাধুর উচ্চ সুদের খপ্পরে পড়েছেন শতাধিক ব্যবসায়ী এবং অনেকে হয়েছেন পথের ফকির! তার রমরমা সুদের ব্যবসা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পাটকেলঘাটা বাজারের ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী। গোপন সূত্রে জানা যায়, সে নিজেকেই একটা ব্যাংক বলে দাবি করেন। বাপ্পি সাধু এক লাখ টাকায় প্রতি মাসে উচ্চ হারে সুদ নেন ২০-৩০ হাজার টাকা তাও আবার সেই সুদের টাকা গুনতে হয় সপ্তাহে। এই উচ্চসুদে টাকা নিয়ে পথের ফকির হয়েছেন পাটকেলঘাটা যমুনা শোরুমের মালিক রোকনুজ্জামান, শেখসাদী শোরুমের মালিক মফিজুর রহমান, মনি মেম্বারসহ অনেকে। বাপ্পি সাধু বড় বড় ব্যবসায়ীদের টার্গেট করে তাদের টাকার লোভ দেখিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার সুদ আদায় করেছেন তার অভিযোগ রয়েছে।
ঘটনা সূত্রে আরও জানা যায়, বাপ্পি সাধু প্রতিদিন সকালে বের হয়ে হকার বা সমিতির লোকদের মতো সুদের টাকা নেওয়া ও দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ব্যবসায়ীর টাইলস এর দোকান, ইলেকট্রনিকস শোরুন, শপিং মলে হাজির হয়। কয়েকটি ব্লান চেক ও স্ট্যাম্প সে সুদের টাকা প্রদান করেন। টাকা দিতে ব্যর্থ হলে মামলা দিয়ে হয়রানি করেন। এলাকার সচেতন মহল তার উচ্চসুদের হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য বাপ্পি সাধু কে গ্রেফতার পূর্বক দুদক এর তদন্ত দাবি করেন। এই বাপ্পি সাধু কিভাবে শত কোটির মালিক হয়েছেন তার প্রকৃত রহস্য উন্মোচনের দাবি করেন এলাকার ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে বাপ্পি সাধুকে একাধিকবার ফোন দিলে ফোন নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। (২য় পর্ব অপেক্ষামান)