ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ), সাতক্ষীরা জেলার শাখার বিপ্লবী আহ্বায়ক আক্তারুল ইসলাম আক্তারের সভাপতিত্বে শুক্রবার সকাল সকালে শহীদ আসিফ চত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আপ বাংলাদেশ সাতক্ষীরার আহ্বায়ক আক্তারুল ইসলাম আক্তার। উপস্থিত ছিলেন আপ বাংলাদেশের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী হাফিজা ও ঝুমা মারিয়াম, যুগ্ম সদস্য সচিব নাহিদ হোসেন, তামিম হোসেন, কাজী লায়লা আলী ও মুস্তাকিম বিল্লাহ।অনান্যদের মধ্যে ছিলেন মুফতি ইব্রাহিম তাকি প্রমুখ। উক্ত অনুষ্ঠানে জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিনিধিত্ব করেন আরাফাত হোসেন এবং সায়েম হোসেন সিয়াম প্রমুখ।
বক্তরা বলেন: “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই: জুলাই পরবর্তী স্বাধীন দেশের প্রথম রাজনৈতিক গুমের শিকার মামুন ভাইকে দ্রুতই আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিন। ৫ দিন অতিবাহিত হয়েছে আমরা আর একটি মূহুর্তের জন্য আমাদের সহযোদ্ধা ভাইয়ের অনুপস্থিতি মেনে নিবে না। প্রশাসনের তালবাহানা মেনে নিবো না। আমাদের ভাইয়ের, সন্ধান না মিললে এই সরকারের গদী নাড়াতেও আমরা দ্বিধা করবো না, ছাত্র উপদেষ্টা সহ অনান্য উপদেষ্টাদের বিলাসী জীবন ও দ্বায়িত্বহীনতার বিরুদ্ধে একহাত নিতেও দ্বিধা করবো না। “
আপ বাংলাদেশের আহ্বায়ক আক্তারুল ইসলাম সরকারকে হুশিয়ার করে বলেন, ছাত্রজনতার যে ম্যানডেট নিয়ে আজ ওখানে বসে আছেন,সেই ম্যানডেট তুলে নিলে আবার আপনাদের জনসাধারণের কাতারে দাঁড়াতে হবে।তিনি আরও বলেন, ”খারাপ লাগলেও বলতে হচ্ছে – অনেকের আগের মতো ১০০ টাকার গেঞ্জি আর ৩০ টাকার খিচুড়ি খেয়ে দিনাতিপাত করতে হবে।সুতরাং, জনগণের সাথে গাদ্দারি করার চিন্তা করবেন না। সরকারকে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বললো মনে রাখবেন : গুমকে কোন ফরমেটেই আর আমরা ফিরতে দিবো না।তাই আমাদের ভাইকে যেখান থেকে পারেন খুঁজে আনুন। আর সুষ্ঠ তদন্ত করে জড়িতদের যথাযথ বিচার করুন। গুমের সাথেই যেই জড়িত থাকুক, সে যদি ছাত্র উপদেষ্টাও হয় এমনকি সরকারের শক্তিশালী বাহিনীরও কেউ হয় তারও বিচার জনগণ স্বচক্ষে দেখতে চাই। আমরা প্রমাণ করতে চাই, হাসিনার গুম -খুনের রাজনীতিকে আমরা অনেক আগেই কবর দিয়েছি। ” জুলাই যোদ্ধা আরাফাত হোসাইন বলেন, ” জুলাই যোদ্ধারা আমাদের সবার” সবশেষে জুলাই শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।