1. admin@dailyalorsandhan.com : admin :
  2. mdusmangani2002@gmail.com : Md Usman Gani : Md Usman Gani
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কলারোয়া থানার দায়িত্বে অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রিমু: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার। অসুস্থ শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাটকেলঘাটায়: আওয়ামীলীগ পন্থী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শামীমা আরার বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তির দাবি সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কালিগঞ্জে রঘুরামপুরের তরুণদের মাঝে ফুটবল বিতরণ সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলা: আন্দোলনের মুখে সদর থানার ওসি মাসুদুর প্রত্যাহার বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ আজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে এলাকার ক্ষুদে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ বরিশাল বাকেরগঞ্জ থানার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদারকে নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা সাতক্ষীরায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম তালা উপজেলায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগ: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা’র উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসা সাতক্ষীরায় ক্রসফায়ার ও গুম খুনের মাস্টারমাইন্ড আলোচিত ৫ হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্ট নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করেছেন আদালত

কলারোয়ায় আইনজীবির ফসলি জমি প্রতারনা করে রেকর্ড করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে

দৈনিক আলোর সন্ধান ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১১৩ বার পঠিত

জুলফিকার আলি, কলারোয়া প্রতিনিধি:

কলারোয়ায় জাল দলিল দেখিয়ে অন্যের ফসলি জমি রেকর্ড করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে । ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়নের বলিয়ানপুর গ্রামে। ঘটনার বিবরনে ও জমির মালিক কলারোয়া উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়নের শ্রীহরিপুর গ্রামে মৃত খয়রুল্যা দফাদারের ছেলে আইনজীবি মুনছুর আলী জানান-তার বলিয়ানপুর ৪১নং মৌজায় রেজি:কৃত কোবলা ৫০১৬ ও ৫০১৭ নং দলিলে ১একর ৪৯শতক কৃষি জমি আছে। সেই জমি প্রতারনা করে বলিয়ানপুর গ্রামের আব্দুল খালেক সরদার জাল দলিল সৃষ্টি করে নিজের নামে রেকর্ড করে নেয়।

পরে তিনি বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) অফিসে এসএ এন্ড টি এ্যাক্টের ১৫০ধারায় একটি নামপত্তন সহ জমা খারিজ কেস দাখিল করেন। এই কেস দাখিলের পর উপজেলা সহকারি কমিশনার অনলাইনে চেক জানতে পারেন যে, ১৪মে ১৯৬৪ সালে ১২৭৭ ও ১৩০৫ নং দলিলের গ্রহীতা হিসাবে মোহাম্মাদ আমির আলী সরদারের নাম লেখা দেখতে পান । পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষকে নোটিশ করার জন্য চন্দনপুর ভুমি সহকারি কে নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী কয়েকবার নোটিশ করলেও আব্দুল খালেক সরদার ভুমি অফিসে হাজির হয় নাই। এদিকে মুনছুর আলী ন্যায় বিচার দাবী করে উপজেলা প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা