1. admin@dailyalorsandhan.com : admin :
  2. mdusmangani2002@gmail.com : Md Usman Gani : Md Usman Gani
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কলারোয়া থানার দায়িত্বে অভিজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান রিমু: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অগ্রাধিকার। অসুস্থ শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাটকেলঘাটায়: আওয়ামীলীগ পন্থী ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা শামীমা আরার বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তির দাবি সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কালিগঞ্জে রঘুরামপুরের তরুণদের মাঝে ফুটবল বিতরণ সাতক্ষীরায় ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলা: আন্দোলনের মুখে সদর থানার ওসি মাসুদুর প্রত্যাহার বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ আজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে এলাকার ক্ষুদে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে ফুটবল বিতরণ বরিশাল বাকেরগঞ্জ থানার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ সরদারকে নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা সাতক্ষীরায় দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক, রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করলেন পুলিশ সুপার আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল আলম তালা উপজেলায় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ায় ফ্যামিলি কার্ডের কর্মী নিয়োগ: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা’র উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসা সাতক্ষীরায় ক্রসফায়ার ও গুম খুনের মাস্টারমাইন্ড আলোচিত ৫ হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ফ্যাসিস্ট নজরুল ইসলামের গ্রেপ্তার মঞ্জুর করেছেন আদালত

একাধিক বিয়ে করে প্রতারণা! তালায় আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউর রহমানের অপকর্মে ক্ষুব্ধ তার স্ত্রী- ফেরদৌসী খাতুন

দৈনিক আলোর সন্ধান ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৬৩ বার পঠিত
>প্রতারক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে করে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।
>বিচার চেয়ে প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। 
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
‎সাতক্ষীরার তালা উপজেলার আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের ভাই প্রতারক সরদার জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে একাধিক বিয়ে ও প্রতারণার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি পরিচয় ও প্রভাব খাটিয়ে একের পর এক নারীকে বিয়ে করে অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং পরে তাদের ত্যাগ করেন। তার ভাই আওয়ামী লীগের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মশিউর এর বিরুদ্ধেও একাধিক বিয়ে করে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তারা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক দলের নেতা ও আপন ৭ ভাই হওয়ার কারণে কবির, ইকবাল, মশিয়ার, গোলজার সরদার এদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না। এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের কাছে জিম্মি থাকে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে নিরীহ এক ব্যক্তি পিটিয়ে মেরে ফেলার কারণে হত্যা মামলার আসামি হয়ে জেলে গেলেনও ক্ষমতা অপব্যবহার করে দ্রুত জেল থেকে মুক্তি পায়।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জিয়াউর রহমান এখন পর্যন্ত ১২ থেকে ১৪ জন নারীকে বিয়ে করেছেন, যাদের অধিকাংশই এখন অসহায় ও নিঃস্ব অবস্থায় রয়েছেন। প্রতারণার শিকার এসব নারীদের কেউ কেউ এখন সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত, কেউ বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ১০ লক্ষ টাকার লোভে আবারও প্রতারণা করে চট্রগ্রামে জুলি নামে একটা মেয়ে কে ১২তম বিয়ে করেছেন। তালার আটারমাইলে এক এনজিও চাকুরীরত মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে ২৬,০০০ টাকা ও একটা ব্লান চেক নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রতারণার অভিযোগ অভিযোগ ওঠেছে।
‎এদের মধ্যে দ্বিতীয় স্ত্রী ফেরদৌসী খাতুন অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবার বাড়ি রাজশাহী থেকে আমি তালার এক আত্নীয় বাসায় আসলে সে আমাকে কৌশলে বিয়ে করেন। বিয়ের পর কিছুদিন ভালো আচরণ করলেও পরে জানতে পারি, সে আগে আরও কয়েকটি বিয়ে করেছে। আমার কাছ থেকে সে ১৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন আর খোঁজ খবর ও সংসারের কোন খরচ দেয় না। আমি তালা থেকে চলে না গেলে আমাকে হত্যা করে লাশ গুম করবে বলে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। আমি এখন আমার জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার নিকট থেকে প্রতারণা করে যে ১৫ লক্ষ টাকা নিয়েছে তাহা ফেরত ও তার বিচার চাই।
‎ভুক্তভোগী ফেরদৌসী আরও জানান, জিয়াউর রহমান নিজেকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য ও নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়ে সহজেই বিভিন্ন নারীকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হন। এরপর প্রেম ও বিয়ের ফাঁদে ফেলে টাকা-পয়সা হাতিয়ে নেন। সরদার জিয়াউর রহমান চেক জালিয়াতি মামলায় ওয়ারেন্ট ভূক্ত আসামি কিন্তু পুলিশ তাকে অদৃশ্য শক্তির ইশারায় আটক করছে না।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। তবুও সম্প্রতি একাধিক ভুক্তভোগী নারী ন্যায়বিচারের দাবিতে এগিয়ে এসেছেন এবং প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
‎তালা উপজেলার কয়েকজন সচেতন নাগরিক বলেন, “এভাবে একজন রাজনৈতিক পরিবারের সদস্য যদি প্রতারণা চালিয়ে যায়, তবে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।”
‎অভিযোগের বিষয়ে সরদার জিয়াউর রহমানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য একাধিকবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
‎স্থানীয়রা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের প্রত্যাশা—সরদার জিয়াউর রহমানের মতো প্রভাবশালী প্রতারকদের অপকর্মের দ্রুত অবসান ঘটুক।
‎এই ব্যাপারে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ মাইনুদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা