
হাফেজ মোঃ আছাফুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার:
আশাশুনি সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ক্যাপ্টেন মো. এছাহক আলী ছাত্রজীবন থেকে সুশৃংখল জীবন যাপন ও মেধাবী ছাত্র হিসাবে সুপরিচিত ছিলেন। ৫৩ বছর বয়সে এসে তিনি তার কর্মময় জীবনের স্বীকৃতি স্বরূপ এক্স ক্যাডেটস পদক-২০২৪ এ ভূষিত হয়ে আশাশুনি সরকারি কলেজের সুনাম এনে দিয়েছেন।

ক্যাপন্টেন মোঃ এছাহক আলী ১৯৭০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মো. রমজান আলী সরদার, মাতা সমেত্তবান বিবি। ১৯৮৭ সালে মানবিক বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ, ১৯৮৯ সালে এইচএসসিতে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে যশোর শিক্ষা বোর্ড হতে স্কলারশীপ পান। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৯১ সালে দ্বিতীয় বিভাগে ডিগ্রী পাস করেন। ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইতিহাস বিষয়ের স্নাতকোত্তর ডিগ্রী পরীক্ষায় নবম স্থান অধিকার করে দ্বিতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। ঢাকায় পড়াকালীন শিক্ষা ও চাকুরীতে বৈষম্য প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হওয়ায় তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে তার বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করার সুযোগ হয়েছিল (যার স্মারক নং- রাস/এসচিব ২/৯৮-১৯৯১ তারিখ-২৬/১০/১৯৯৪)।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত। সহধর্মিনীর নাম শারাবান তহুরা। মো. মোর্তজা তোরাব নামে এক ছেলে ও ইশরাত আরা মিম ও ইফফাত আরা মম নামে দুটি যমজ মেয়ে রয়েছে তাদের। কর্মজীবনে তিনি আশাশুনি সরকারি কলেজে ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক হিসেবে ১০ জুন ১৯৯৮ সালে যোগদান করে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন।
ব্যক্তিগত জীবনে শৃঙ্খলা ও কর্মকে ভালবাসেন তাই বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি) এ ২৫ মার্চ ১৯৯৯ সালে প্রফেসর আন্ডার অফিসার (পিইউও) হিসেবে যোগদান করেন। বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমী ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম থেকে প্রি- কমিশন ট্রেনিং ৬ এপ্রিল ২০০২ ইং থেকে ২০ জুন ২০০২ পর্যন্ত সফলতার সাথে সম্পন্ন করেন। ২০০৪ সালের সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন এবং লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি পান ২০০৭ সালে। তিনি ক্যাপ্টেন হিসেবে পদোন্নতি পান ২০১৪ সালে