1. admin@dailyalorsandhan.com : admin :
  2. mdusmangani2002@gmail.com : Md Usman Gani : Md Usman Gani
রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল উইনসেরেক্স সিরাপসহ যুবক আটক বিমানবন্দরে অব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মামলায় জামায়াত নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন পিলখানায় বিডিআর হত্যাকাণ্ড ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তাবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর খন্দকার আব্দুল হাফিজ গ্রেপ্তার কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা ও ‘পলায়ন অভিযোগে চাকরিচ্যুত হলেন সাতক্ষীরার সন্তান অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জী মালয়েশিয়ায় দাতোক সেরী উপাধি পেলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি, আইন গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান সাতক্ষীরার কৃতিসন্তান আলহাজ্ব মো: হাসান আলী পাবনায় বিলে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ৬ জনের মৃত্যু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ চার দফা দাবিতে এনসিপির বিক্ষোভ শ্যামনগরে সাংবাদিককে ‘বাসা থেকে উঠিয়ে নিয়ে আসবো’ বলার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে অবৈধ ইটভাটা নিয়ে বক্তব্য চাইতে গিয়ে হুমকির অভিযোগ, তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি সাংবাদিকদের জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মাহবুব উল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগের দোসর ওসি বিপ্লব কুমার নাথ কে গ্রেপ্তারের দাবি, সাতক্ষীরায় বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীদের ধরে এনে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি টাকা

আশাশুনির বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

দৈনিক আলোর সন্ধান ডেস্ক :
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০২৪
  • ১২১ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাহাদুরপুর ভুবনমোহন কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশের বিরুদ্ধে কলেজ শাখার শিক্ষকদের লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার কলেজ চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেন অফিস সহকারীর রুমে বসে পরীক্ষার মার্কশিট তৈরীর কাজ করছিলেন। এসময় অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ অফিস সহকারীর কক্ষে প্রবেশ করেন। প্রভাষক জাকির হোসেন কেন এই রুমে বসে আছেন এমনই প্রশ্ন তুলে ধমক দিতে থাকেন অধ্যক্ষ। অতঃপর প্রভাষক জাকির হোসেনকে উক্ত রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেন অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ। পরবর্তীতে অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক জাকির হোসেন অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে ঘটনাটি অবহিত করলে সাথে সাথে শিক্ষকবৃন্দ অধ্যক্ষের কাছে গিয়ে এ ঘটনার কারন জানতে চাইলে অধ্যক্ষ উত্তেজিত হয়ে উপস্থিত শিক্ষকদের অকথ্য ভাষায় গালি গালাজসহ চাকুরিচ্যুত করার হুমকি দিতে থাকেন। শিক্ষকদের চাকুরিচ্যুত করার হুমকি প্রদান করলে এক পর্যায়ে সকল শিক্ষকদের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ান তিনি। অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ ঘন্টাব্যাপী প্রভাষক জাকির হোসেনকে মানসিকভাবে অপদস্ত করা, চাকুরিচ্যুত করাসহ মারমুখী হলে প্রভাষক জাকির হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এক পর্যায়ে তার সহকর্মীরা তাকে এম্বুলেন্স যোগে সাতক্ষীরা ইসলামি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলে যোগদানের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে। বিদ্যালয় থেকে শুরু করে কলেজ শাখার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং রাজনীতিতে বিভক্ত করে রেখেছেন তিনি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একের পর এক এহেন হামলার ঘটনায় হতভম্ব হয়ে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। অনেকেই তাদের সন্তানদের বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুল থেকে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন বলে জানাগেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ বলেন, প্রভাষক জাকির হোসেন আমার রুমে এসে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা সহ চেয়ার উঠিয়ে আমাকে মারধর করতে আসে। ঘটনার সময় অন্যান্য শিক্ষকদের সহায়তায় তাদেরকে থামানো হয়। পরে শুনলাম প্রভাষক জাকির হোসেন অসুস্থ হয়ে সাতক্ষীরা ইসলামী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন জাকির হোসেন আজ বৃহস্পতিবার কলেজে অনুপস্থিত রয়েছেন। তিনি আরো বলেন এ ঘটনায় বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির জরুরী সভা আহবান করা হলেও অনিবার্য কারণবশত জরুরী সভার দিন পরিবর্তন করা হয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এহেন ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে আশাশুনি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আতিয়ার রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমাকে কেউ লিখিত বা মৌখিকভাবে অবহিত করেননি। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এহেন ঘটনা দুঃখজনক বলে জানান তিনি।
হাসপাতালের বিছানায় অসুস্থ প্রভাষক জাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কথা বলতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমার মুখে ও হাতে শক্তি কম পাচ্ছি। যা প্যারালাইসিস এর লক্ষণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ঘটে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ পরিকল্পিতভাবে আমাকে অপমান অপদস্ত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও আমার সহকর্মীদের সামনে আমাকে লাঞ্ছিত করেন। মানসিকভাবে এ ঘটনা আমি সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে পড়লে আমার সহকর্মীরা আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বুধহাটা বিবিএম কলেজিয়েট স্কুলের একাধিক শিক্ষক এ প্রতিবেদককে বলেন প্রভাষক জাকির হোসেন একজন হাস্য উজ্জ্বল ও সাদালাপী ব্যক্তিত্ব। তিনি হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও অধ্যক্ষ মোহিত কুমার দাশ তাকে দেখতে যাওয়া তো দূরের কথা মোবাইলে তার কোন খোঁজও নেননি। উপরন্ত কিভাবে প্রভাষক জাকির হোসেনকে চাকুরিচ্যুত করা যায়, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি। প্রভাষক জাকির হোসেন তার সাথে ঘটে যাওয়া এহেন ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা