
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাঁড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম সার ডিলারশিপ পেয়েছেন—এমন তথ্যকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় সার ডিলার নিয়োগের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ শরিফুজ্জামান সজিব।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক প্রশ্নে তিনি জানতে চান, একজন আওয়ামী লীগ নেতার সার ডিলারশিপ পাওয়ার ঘটনায় দায়ভার কার—জেলা প্রশাসকের, নাকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও), জেলা বিএনপি?
সজিবের এই প্রশ্নকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সার ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে, আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছিল কি না এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন কীভাবে দেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় সামনে আসছে।
তবে রেজাউল ইসলাম ঠিক কবে সার ডিলারশিপ পেয়েছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে কী কী শর্ত পূরণ করেছেন এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। শুধু রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে অনিয়মের অভিযোগ প্রতিষ্ঠিত হয় না; এ ক্ষেত্রে প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য।
সার ডিলার নিয়োগের সিদ্ধান্ত কোন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হয়েছে, যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশ কী ছিল এবং নিয়োগের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। একই সঙ্গে রেজাউল ইসলামের বক্তব্যও জানা জরুরি।
সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। তাই আলোচিত এই নিয়োগের বিষয়ে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ এবং অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তা যাচাই করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহীরা।
এখন প্রশ্ন—আলোচিত সার ডিলারশিপের নিয়োগ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ছিল, আর এ বিষয়ে প্রশাসনের বক্তব্য কী?
এই বিষয়ে জেলা প্রশাসক কে একাধিকবার ফোন দিলের তিনি রিসিভ করেননি।