নিজস্ব প্রতিনিধি:
মাগুরায় পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনার পর মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে থানা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তাদের দাবি, এলাকায় চুরি, ডাকাতি ও মাদকের কারবার বেড়েছে। এ ছাড়া থানায় গিয়ে ভুক্তভোগীরা সেবা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন !
সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা ইউনিয়ন বিএনপির নেতা। এই দাপটে আব্দুল্লাহ আল মামুন তার উর্ধতন কর্মকর্তাদের আদেশ নির্দেশ মানেন না। স্থানীয় এমপি বা প্রশাসনের কোন নির্দেশনা তিনি মানছিলেন না। থানার ওসি হয়েও ভাবখানা এমন, তিনি যেনো গোটা থানার প্রধানমন্ত্রী।
আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ে ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল গতকাল । তার ভাবখানা এমন, মাগুরার পরিস্থিতি যেমন আছে, তেমনই চলবে, পারলে কিছু করেন। যুবদল নেতাকে গু*ি* করে হত্যার ঘটনায় গাফিলতির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, মামলা হয়েছে, আসামি পাইলে ধরবো, না পেলে পুলিশ কি করতে পারে। ভাবখানা এমন, হ০ত্যার ঘটনা ঘটছে, তাতে হইছে কি??
আজকে ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনকে মাগুরা সদরের ওসির পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এই ওসির বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে পুলিশের কাছে!
এই ধরনের কর্মকর্তাদেরকে ওসি পদে বসালে সাধারণ মানুষ সেবা কম পাবে, হয়রানি বেশি হবে। ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ায় পুলিশের উপর মহলকে ধন্যবাদ। সেই সাথে এই ধরনের কর্মকর্তাদের ওসি পদে দেয়ার আগে বেশি করে যাচাই বাছাই করা উচিত।
নিজেকে বিএনপি পরিবারে দাবি করা ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন ঝিনাইদহে থাকাকালীন সময়ে মাহবুবুল আলম হানিফের সাথে ঘনিষ্ঠ ছিল। অথচ, এখন বিএনপি পরিবারের পরিচয় দিয়ে নিজের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি, আর স্বজনপ্রীতির কারণে মাগুরা জেলার সদরের আইন শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে।
এখন ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন আপনার ওসিগিরি টুট টুট। মানুষকে আর হয়রানি করতে পারবেন না। এই ওসি আবদুল্লাহ আল মামুনকে যেনো কোথাও ওসিগিরি করতে না দেয়া হয়,সেই অনুরোধ। কারণ এরা রক্ষক নামের ভক্ষক!