
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্মবিষয়ক সদস্য ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত ড. কাজী এরতেজা হাসানের জামিনে মুক্তির পর সাতক্ষীরায় আগমন ও শোডাউন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, চেক ডিজঅনার এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইতিমধ্যে শোডাউন এর বিষয়টি ভাইরাল হয়েছে। এনিয়ে সাতক্ষীরা স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চয় সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাঁচ কোটি টাকার চেক ডিজঅনারকে কেন্দ্র করে ড. কাজী এরতেজা হাসানের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদীপক্ষের দাবি, পাঁচ কোটি টাকার একটি চেক ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় তা প্রত্যাখ্যাত হয়। পরে এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এদিকে, জামিনে মুক্তির পর সাতক্ষীরায় এসে তাঁর শোডাউন এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগও সামনে এসেছে।
#রাজনৈতিক পরিচয় ঘিরে আলোচনা:
ড. কাজী এরতেজা হাসানকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিচয়, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড এবং বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন নিয়ে অতীতেও নানা অভিযোগের কথা সামনে এসেছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের নারী দিয়ে ব্ল্যাকমেইল কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযোগও আছে তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে। একই সঙ্গে ফ্ল্যাট ও জমি দখল এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে অর্থ আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগ।
#প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন:
জামিনে মুক্তির পর সাতক্ষীরায় তাঁর কথিত শোডাউন এবং নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগ ওঠেছে এখন দেখার বিষয় প্রশাসনের অবস্থান কী? সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।
এ বিষয়ে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতা ড. কাজী এরতেজা হাসানের যোগাযোগের চেস্টা করেও পাওয়া যায়নি।