নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতের পাশে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন পর্যটকের প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ছয়জন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহতদের প্রতি গভীর শোক এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি দগ্ধদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয়েছে।
এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর হোটেল ও রিসোর্টের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ও জরুরি বহির্গমন পথ নিশ্চিত না করে কীভাবে রিসোর্ট পরিচালিত হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
পরিবার-পরিজন নিয়ে অবকাশ যাপনের জন্য পর্যটনকেন্দ্রে যাওয়া মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অন্যতম দায়িত্ব। কিন্তু অগ্নিনিরাপত্তায় অবহেলা থাকলে পর্যটকদের আনন্দভ্রমণ মুহূর্তেই ভয়াবহ বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। তাই পর্যটন ব্যবসায় মুনাফার পাশাপাশি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
দুর্ঘটনা এড়াতে দেশের সব পর্যটন এলাকার হোটেল ও রিসোর্টে জরুরি ভিত্তিতে অগ্নিনিরাপত্তা পরীক্ষা, পর্যাপ্ত জরুরি বহির্গমন পথ, অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম এবং প্রয়োজনীয় স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে ইনানীর অগ্নিকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং অবহেলা বা অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোকে দেশি-বিদেশি ভ্রমণপিপাসু মানুষের জন্য নিরাপদ, আধুনিক ও ভ্রমণবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।